Samsung ব্র্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় সিরিজগুলোর মধ্যে A সিরিজটি অন্যতম। যদিও আমাদের দেশে এখও Galaxy J সিরিজটি এ তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। তবে ২০১৬ সালে রিলিজ করা নতুন A সিরিজটি ইতিমধ্যেই ভোক্তামহলে একটি দৃঢ় অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে। আজকের ব্লগটিতে A সিরিজের গত ভার্সনটির সঙ্গে বর্তমান ভার্সনের তুলনামূলক পার্থক্যগুলো নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করা হয়েছে। আশা করি, এটি আমাদের ক্রেতাদের কেনার সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।
অন্যান্য সকল পণ্যের মতই ২০১৬ সালে রিলিজ করা A সিরিজের ১০০ ভাগ আসল এবং ব্র্যান্ড নিউ হ্যান্ডসেটগুলো আমাদের স্টকে রয়েছে। চেষ্টা করা হয়েছে দাম যতটা সম্ভব প্রতিযোগিতামূলক রাখার। কিনতে চাইলে নিচের লিংকগুলো ভিজিট করে আমাদের সেলস্ পেইজে এসে অর্ডার প্লেস করুন বা কল করুন 01775472659 নম্বরে, সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে।
Samsung Galaxy A3 (2016):

শুরুতেই আসা যাক ডিজাইনের বিষয়ে। A3 2016 মডেলটি পুরনো হ্যান্ডসেটটির তুলনায় ওজনে ২২ গ্রাম ভারী এবং পুরুত্ব কিছুটা বেশি হলেও, এর ডিজাইন আগের ভার্সনটির তুলনায় বেশ আকর্ষণীয় এবং আরামদায়ক। এছাড়া ব্যাক-প্যানেলটিতেও Corning Gorilla Glass 4 ব্যবহার হওয়ায় এটি স্ক্র্যাচ-প্রুফ এবং আগের চেয়ে টেকসই গড়নের। নতুন ভার্সনটিতে রয়েছে 4.7 ইঞ্চি সুপার এমোলেড ডিসপ্লে যা আগের ভার্সনটির তুলনায় 0.2 ইঞ্চি বেশি। A3 2015 ভার্সনের রেজ্যুলেশন ছিলো 540×960 পিক্সেল যার প্রতি ইঞ্চিতে 245 পিক্সেল আউটপুট পাওয়া যেত। কিন্তু নতুন ভার্সনটিতে ব্যবহার হয়েছে 312 ppi সমৃদ্ধ 720×1280 পিক্সেল রেজ্যুলেশন। ফলে, এটি আগের চেয়ে গাঢ় এবং ঝকঝকে আউটপুট প্রদানে সক্ষম। দুটো ফোনের ডিসপ্লে Corning Gorilla Glass 4 দ্বারা সুরক্ষিত।
হ্যান্ডসেটটির পুরনো ভার্সনের প্রসেসর ছিলো 1.2GHz Quad-core Cortex A53 সঙ্গে 1.5GB র্যাম। নতুন ভার্সনের প্রসেসর এবং র্যাম একই থাকলেও এর ক্লকস্পিড হচ্ছে 1.5GHz, যা আগের চেয়ে কিছুটা দ্রুতগতির। দুটো ভার্সনেই Adreno 306 গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট ব্যবহার করা হয়েছে। দুটো ফোনেরই ইন্টারনাল স্টোরেজ 16GB হলেও A3 2016 ভার্সনে মাইক্রোএসডি কার্ড ব্যবহার করে 128GB পর্যন্ত বাড়িয়ে নেয়া সম্ভব, যা আগে ছিলো 64GB পর্যন্ত। নতুন ভার্সনে 8MP এর জায়গায় ব্যবহার করা হয়েছে ফ্ল্যাশ সাপোর্টসহ 13MP ক্যামেরা। ফ্রন্ট ক্যামেরা দুটো ভার্সনেরই 5MP। 2016 ভার্সনটির অপারেটিং সিস্টেম Android (5.1), যা আগের ভার্সনটির তুলনায় লেটেস্ট এবং ভালো সার্ভিস প্রদানে সক্ষম। এতে ব্যবহৃত নন-রিমুভেবল 2300mAh ব্যাটারীটি আগের ভার্সনের তুলনায় 400mAh বেশি, যা স্বাভাবিকভাবেই আগের চেয়ে বাড়তি ব্যাকআপ দিবে।
Samsung Galaxy A5 (2016):

এ মডেলটিও A3 2016 এর মতই মেটাল এবং গ্লাসের সমন্বয়ে নির্মিত এবং আগের ভার্সনটির তুলনায় টেকসই এবং স্মার্ট। Samsung Galaxy A5 2015-এর ছিলো 5.0 ইঞ্চি 720p সুপার এমোলেড ডিসপ্লে, 294ppi। নতুন ভার্সনে এটি পরিবর্তিত হয়ে 5.2 ইঞ্চি 1080p সুপার এমোলেড ডিসপ্লে, 401ppi হয়েছে। ওজনে গত ভার্সনটির তুলনায় প্রায় ৩২ গ্রাম বেশি এবং পুরুত্ব প্রায় 1 মিলিমিটারের চেয়ে কিছুটা বেশি হলেও A5 2016 এর ডিসপ্লে সে তুলনায় অনেক ভালো সার্ভিস দিতে সক্ষম।
সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে A5 2016-এ রয়েছে 1.6GHz Octa-core প্রসেসর যা আগের ভার্সনে ছিলো 1.2GHz Quad-core প্রসেসর। দুটোতেই রয়েছে 2GB র্যাম এবং 16GB ইন্টারনাল স্টোরেজ, যা মাইক্রোএসডি কার্ড ব্যবহার করে A5 2015 ভার্সনে 64GB এবং নতুন ভার্সনে 128GB পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। ক্যামেরা পারফরম্যান্সের বিচারে দুটো ভার্সনেই রয়েছে ফ্ল্যাশসহ 13MP প্রাইমারী এবং 5MP ফ্রন্ট ক্যামেরা সেন্সর। গত ভার্সনের Android 4.4 KitKat এর জায়গায় নতুন ভার্সনে ব্যবহৃত Android 5.1.1 Lollipop অপারেটিং সিস্টেম কিছুটা ব্যবহার বান্ধব। এছাড়া A5 2016 এর ব্যাটারী 2900mAh যা আগের ভার্সনে ছিলো মাত্র 2300mAh পর্যন্ত।
Samsung Galaxy A7 (2016) :

২০১৬ ভার্সনের A সিরিজের ফ্ল্যাগশীপ স্মার্টফোনগুলোর মতই A7 2016 ফোনটিও গ্লাস আর মেটালের সমন্বয়ে নির্মিত। গত ভার্সনের প্লাষ্টিক আর মেটাল দ্বারা নির্মিত ক্যাসিংয়ের তুলনায় নতুন ভার্সনটি বেশি টেকসই এবং সুন্দর। এ ফোনটিতে রয়েছে 5.5 ইঞ্চি 1080x1920p সুপার এমোলেড ডিসপ্লে, 401ppi। আগের ভার্সনেও এই একই ধরণের ডিসপ্লে ব্যবহার হয়েছিলো।দুটো ভার্সনেই 1.6GHz Octa-core প্রসেসরের ব্যবহার পারফরম্যান্সের বিচারে বেশ ভাল সার্ভিস প্রদানে সক্ষম। তবে, নতুন ভার্সনে ব্যবহৃত 3GB র্যাম আগের 2GB র্যামের তুলনায় ভাল গেমিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে। গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট দুটোরই Adreno 405। দুটো ভার্সনের স্টক রম 16GB হলেও, Galaxy A7 2016-এ মাইক্রোএসডি কার্ড ব্যবহার করা যাবে 128GB পর্যন্ত, যা আগের ভার্সনে 64GB পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ছিলো। দুটো ভার্সনের ক্যামেরা পারফরম্যান্স প্রায় সমান; 13MP প্রাইমারী এবং 5MP ফ্রন্ট ক্যামেরা সেন্সর। তবে A7 2016 এ্যাপারচার f/1.9, যা আগের ভার্সনের তুলনায় উন্নত আউটপুট দিতে সক্ষম। Android 5.1 Lollipop অপারেটিং সিস্টেমের ব্যবহার A7 2016 কিছুটা বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে। আর আগের ভার্সনের চেয়ে প্রায় 700mAh বেড়ে নতুন ভার্সনের ব্যাটারী ক্যাপাসিটি 3300mAh
No comments:
Post a Comment